অর্থনীতি
জামানত ছাড়াই নিয়েছে ১৯৩৪৯ কোটি টাকা
পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ও কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই ইসলামী ব্যাংক থেকে ‘বাই মুরাবাহা প্লেজ’ ঋণের নামে ১৯ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা লোপাট করেছে বিতর্কিত এস আলম গ্রুপ। ব্যাংকিং ইতিহাসে ভয়ংকর এই নজির স্থাপনে এস আলমের প্রধান সহযোগী ছিলেন ব্যাংকটির ‘দুর্নীতিবাজ’ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ মনিরুল মওলা।
কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একক সিদ্ধান্তে তিনি এস আলমের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে এই ঋণ মঞ্জুর ও প্রদান করেছেন। চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে বিপুল অর্থ বের করে নেওয়া হলেও সেখানে এই ঋণের কোনো মঞ্জুরিপত্র নেই। ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ঋণ জালিয়াতির এমন ভয়াবহ চিত্র।
এদিকে ব্যাংকটির ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় সম্প্রতি তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রতিটি মামলার আসামি তালিকায় মোহাম্মদ মনিরুল মওলার নাম থাকলেও তিনি স্বপদে বহাল তবিয়তে আছেন। রহস্যজনক কারণে তাকে গ্রেফতারে দুদকের কোনো উদ্যোগও নেই।
অন্যদিকে এই দুর্বৃত্তদের হাত থেকে ব্যাংক রক্ষা ও দুর্নীতি বন্ধে ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে ‘স্টার্ক টিম’। পরিচ্ছন্ন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠায় কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে এই টিম।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্টার্ক টিমের এক সদস্য বলেছেন, গত নয় বছরে নামসর্বস্ব ও বেনামি প্রতিষ্ঠানের নামে দেওয়া ঋণের ঘটনার আংশিক চিত্র গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। দুদকের মামলার পরও এস আলম ও পতিত সরকারের দোসর মনিরুল মওলাকে গ্রেফতার না করে অপকর্ম চালানোর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
এস আলম গ্রুপের পলাতক কর্ণধারের ইশারায় স্বপদে বসে প্রভাব খাটিয়ে তিনি ঋণ জালিয়াতির সব ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা করছেন। যা নিন্দনীয় ও নজিরবিহীন।
এ ব্যাপারে জানতে ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ মনিরুল মওলার মোবাইল ফোনে সোমবার একাধিকবার কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। একই নম্বরের হোয়াটস অ্যাপে এই প্রতিবেদক নিজের পরিচয় জানিয়ে তার বক্তব্যের জন্য সময় চেয়ে খুদে বার্তা পাঠানো হয়। রাত ১০টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি কোনো জবাব দেননি।
নিরীক্ষা প্রতিবেদন থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে দেওয়া কোনো ‘বিশেষ ঋণ’ ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদন করেনি। এমডি একক ক্ষমতায় এসব ঋণ অনুমোদন দেন। শুধু তার হাত ধরেই ঋণের নামে ১৯ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা বের করে নিয়েছে এস আলম। বাই মুরাবাহা প্লেজ (ব্যাংক ও গ্রাহকের মধ্যে মুনাফা ধার্য করে নগদ বিক্রির চুক্তি) পদ্ধতিতে এই ঋণ দেওয়া হয়। অর্থাৎ যে বিনিয়োগের বিপরীতে পণ্য ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা সেই বিনিয়োগকে বাই মুরাবাহা প্লেজ বলা হয়।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্যাংকটির এই ঋণের নিয়ম হলো-ব্যাংকের টাকায় পণ্য কিনে ব্যাংকের গুদামে রাখবে। যে পরিমাণ টাকা গ্রাহক দেবে সেই পরিমাণ পণ্য গুদাম থেকে গ্রাহক বের করে নিতে পারবে। কিন্তু এস আলম বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ১৯ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকার পণ্য ব্যাংক থেকে নিয়ে গেছে। কিন্তু ১ টাকাও পরিশোধ করেনি। পুরো টাকাই অনাদায়ী রয়ে গেছে। এক্ষেত্রে আগের ঋণের টাকা আদায় না করেই পরের ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করা হয়েছে। এস আলমের ধারাবাহিক এই লুটের প্রধান সহযোগীর ভূমিকায় ছিলেন মোহাম্মদ মনিরুল মওলা।
নিরীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্যমতে, এস আলমের যেসব প্রতিষ্ঠানের নামে বিশেষ ঋণ দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলের নামে ১ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা, এস আলম এডিবল অয়েলের নামে ৩ হাজার ২৩২ কোটি, এস আলম রিফাইন্ড সুগার, এস আলম স্টিল ও এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের নামে ৩ হাজার ৬৮৪ কোটি, এস আলম ভেজিটেবল অয়েলের নামে ৪ হাজার ৩৪৫ কোটি, চেমন ইস্পাতের নামে ৩ হাজার ৩৩৭ কোটি, ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজের নামে ২ হাজার ২৮২ কোটি এবং গ্লোবাল ট্রেডিংয়ের নামে ৯৭৫ কোটি টাকা। মোট ১৯ হাজার ৩৪৯ টাকার এই ঋণের বিপরীতে এক টাকাও জামানত নেই।
এক টাকা পরিশোধ না করা সত্ত্বেও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল মওলা ধারাবাহিকভাবে এস আলমের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বাই মুরাবাহা প্লেজ ঋণ দিয়ে গেছেন। আলাপকালে নিরীক্ষা টিমের এক সদস্য জানান, বিস্ময়কর তথ্য হচ্ছে ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী এমডি এই ঋণ দিতে পারেন না। ইনট্রাকশন সার্কুলার নম্বর এইচআরডব্লিউ ১৬৯৪, ১ জানুযারি ২০২০ অনুযায়ী এলসির ক্ষেত্রে এমডি সর্বোচ্চ ৫০ কোটি টাকা ও বাই মুরাবাহা প্লেজের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭ থেকে ৯ কোটি টাকা ঋণ এমডি তার ক্ষমতাবলে মঞ্জুর করতে পারেন। ফলে বাই মুরাবাহা প্লেজ বিনিয়োগের প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ঋণ অনুমোদন ও বিতরণ করেছেন এমডি।
যে ক্ষমতা একমাত্র পরিচালনা পর্ষদের রয়েছে, নিয়মের বাইরে গিয়ে সেই ক্ষমতা তিনি নিজে খাটিয়েছেন। নিজের পদ টিকিয়ে রাখার জন্য তিনি বোর্ডকে পাশ কাটিয়ে একাই এই ঋণ অনুমোদন ও প্রদান করেছেন।
জানা গেছে, এই পুরো টাকাই বের করে নেওয়া হয়েছে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে। ওই শাখায় এই ঋণের কোনো মঞ্জুরিপত্র নেই। করপোরেট ইনভেস্টমেন্ট উইং-১ ও আইটি ডিভিশনের সহায়তায় এমডি এই অপকর্ম করেছেন। ব্যাংকের সফটওয়্যারে প্রত্যেকটি অপকর্মের রেকর্ড এখনো আছে।
ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, ইসলামী ব্যাংকের বাই মুরাবাহা পণ্যের মাত্র এক লাখ টাকার পণ্য ‘শর্টফলের’ জন্য জড়িতদের চাকরি চলে যাওয়ার নজির আছে। কিন্তু ১৯ হাজার কোটি টাকার বেশি মুরাবাহা পণ্য শর্টফলের জন্য জড়িত কারও বিরুদ্ধে এখনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং এমডিসহ জড়িত সবাই বহাল তবিয়তে আছেন। এমনকি ব্যাংকের তরফ থেকে এই ঋণ জালিয়াতির জন্য এস আলমের বিরুদ্ধে একটি মামলাও করা হয়নি।
জানা গেছে, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এস আলমের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় নীরব থাকলেও ইতোমধ্যে এস আলমের ছেলে-ভাইসহ ব্যাংকের অনেক কর্মকর্তাকে আসামি করে তিনটি মামলা করেছে দুদক। তিনটি মামলাতেই আসামি করা হয়েছে ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ মনিরুল মওলাকে। কিন্তু শুধু মামলা করেই দায় সেরেছে সংস্থাটি। আসামিদের গ্রেফতারে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মনিরুল মওলা এখনো এমডি পদে বহাল। নিয়মিত অফিসও করেন।
এদিকে মনিরুল মওলাকে গ্রেফতারসহ ব্যাংকের দুর্নীতি বন্ধে গঠিত স্টার্ক টিম বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। টিমের এক সদস্য জানান, ব্যাংকের দুর্নীতিবাজ ও সুবিধাবাদীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে সব ধরনের তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রচার করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকে স্মারকলিপি দেওয়াসহ সংবাদ সম্মেলন করে জাতির সামনে দুর্নীতিবাজদের মুখোশ খুলে দেওয়া হবে।
টিমের আরেক সদস্য জানান, জুলাই বিপ্লবের পর এস আলমের কাছ থেকে এক টাকাও আদায় করতে পারেনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। উলটো এস আলমের কাছ থেকে যাতে টাকা আদায় করা না যায় সে পথে হাঁটছেন ব্যাংকের এমডি। এস আলম গ্রুপের পলাতক কর্ণধারদের সঙ্গে তার (এমডি) নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। ব্যাংকের যে কোনো সংস্কার প্রস্তাব তার কাছে গেলেই তিনি কৌশলে তা ফিরিয়ে দেন।
জুলাই বিপ্লবের পর অন্তত ৪ মাস ইসলামী ব্যাংক মারাত্মক তারল্য সংকটে থাকলেও এমডি ছিলেন নির্বিকার। অন্যান্য ব্যাংকে কর্মরত এস আলমের দোসরদের চাকরিচ্যুত করা হলেও ইসলামী ব্যাংকের এস আলম ঘনিষ্ঠরা এখনো বহাল তবিয়তে। ব্যাংকটি থেকে মোট ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা লুট হওয়ার পরও এমডি বারবার মিডিয়ার সামনে বলেন, নিয়ম মেনে সব ঋণ দেওয়া হয়েছে। এতকিছুর পরও রহস্যজনক কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেও এমডির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো নির্দেশনা নেই।
অর্থনীতি
প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর ৩ দিনব্যাপী বর্ষপূর্তী ও একক আবাসন মেলা শুরু
দেশের অন্যতম সেরা আবাসন কোম্পানি প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর ৩ দিনব্যাপী বর্ষপূর্তী ও একক আবাসন মেলা শুরু। রাজধানীর গুলশান ১ নম্বরের গুলশান গ্যারেজ বিল্ডিং করপোরেট অফিসে চলছে একক আবাসন মেলা এবং উৎসব।
প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর বর্ষপূর্তী উপলক্ষে ১১-১৩ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে একক আবাসন মেলা এবং উৎসব। সকালে মেলার শুভসুচনা করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুল হুদা। কেক কেটে একক আবাসন মেলার যাত্রা শুরু করেন কোম্পানির ব্যবস্হাপনা পরিচালক রওশন আল মাহমুদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিচালক নাজনিন আক্তার, উপদেষ্টা নূরুল ইসলাম, হেড অব বিজনেস রেজাউল করিম টীম লিডার শিমুল সরকার,টীম লিডার মহিন ইসলাম সহ কোম্পানির সকল স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। মধ্যবৃত্তের আবাসন চাগিদা মেটানোর প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। ৩ টি চমৎকার প্রকল্প প্রিমিয়াম টাউন,প্রিমিয়াম গার্ডেন, ও প্রিমিয়াম ভ্যালি নিয়ে আস্হা ও বিশ্বাসের সাথে এগিয়ে চলছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড।

কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, সবাই দেয় আসা কিন্তু আমরা দেই নিশ্চয়তা । তিনি বলেন,প্রিমিয়াম যেটা বলে সেটাই করে, এ কারনে খুব অল্প সময়ের মধ্যে গ্রাহকদের প্রিয় হয়ে উঠছে আমাদের প্রকল্পগুলো। প্রিমিয়াম টাউন থেকে ৫ কাঠার একটি প্লট নিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। সন্মানিত গ্রাহক বলেন এই প্রকল্প থেকে প্লট নেবার দুটো কারন চারপাশে সরকারি রাস্তা এবং ম্যানেজমেন্টের কমিটমেন্ট। শত শত গ্রাহকের আস্থা তৈরি করছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। বিশেষ করে,
প্রবাসীদের কাছেও আস্হা অর্জন করেছে শতভাগ।
একক আবাসন মেলা সকলের জন্য উন্মুক্ত। মেলা চলবে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
অর্থনীতি
২৮তম জাতীয় বার্ষিক কোয়ালিটি কনভেনশন ৫ জুলাই
বাংলাদেশের ইন্ড্রাস্ট্রি খাতে বিপুল পরিমাণ অপচয় হয় যা সার্বিক গুণমান উন্নয়ন ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রোধ করা সম্ভব। এই অপচয় রোধ করা গেলে আমাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত করা সম্ভব। এজন্য দেশের সর্বস্তরে গুণমান উন্নয়ন এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করার উপর জোর দিতে হবে।
আজ শনিবার (২৮ জুন) ২৮তম জাতীয় বার্ষিক কোয়ালিটি কনভেনশন (এনএকিউসি) উপলক্ষ্যে আয়োজত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় আয়োজকরা এসব কথা বলেন।
প্রতিবছরের ন্যায় আবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় বার্ষিক কোয়ালিটি কনভেনশন (এনএকিউসি)। আগামী ৫ জুলাই ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক ক্যাম্পাসে এই ২৮তম জাতীয় বার্ষিক কোয়ালিটি কনভেনশন (এনএকিউসি) আয়োজন করা হয়েছে। দিনব্যাপী এই আয়োজনে ৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠানের ৫শ এর বেশি ডেলিগেট এবং ৭০টির বেশি সার্কেল অংশগ্রহণ করছে। অংশগ্রহনকারীরা নিজেদের সার্বিক মানউন্নয়ন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে উদ্যোগ, আইডিয়া, সফলতাসহ নানা বিষয় তুলে ধরবেন। সার্বিক মানউন্নয়ন ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরস্কারও দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ সোসাইটি ফর টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (বিএসটিকিউএম) এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক এর উদ্যোগে আয়োজিত কনভেনশনের এবারের স্লোগান কোয়ালিটি ফার্স্ট : এমপাওয়ারিং লোকাল ইন্ডাস্ট্রি ফর গ্লোবাল এক্সিলেন্স।
দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড এর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিয়ম সভায় টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট এর প্রয়োজনীয়তা এবং বিএসটিকিউএম এর কার্যক্রম, সম্ভাবনাসহ নানা বিষয় তুলে ধরেন বিএসটিকিউএম এর উপদেষ্টা প্রকৌশলী এ এম এম খাইরুল বাশার, দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিএসটিকিউএম এর উপদেষ্টা প্রকৌশলী মো. আব্দুল আউয়াল। বিএসটিকিউএম এর সভাপতি এ কে এম শামসুল হুদার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএসটিকিউএম এর সাধারন সম্পাদক এম এম কবির, এনএকিউসি’র আহবায়ক প্রকৌশলী মো. ওয়ালিউর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিএসটিকিউএম এর সহ-সভাপতি ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান মো. শামসুল আলম।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে বাংলাদেশ সোসাইটি ফর টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (বিএসটিকিউএম) বাংলাদেশে গুণমান উন্নয়ন ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে নিরবে কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটি বাংরাদেশের সকল স্তরে গুণমান উন্নয়নে নানা কর্মসূচী পালন করে থাকে।
অর্থনীতি
রিজার্ভ আবার ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে আবার ২০ বিলিয়ন (১০০ কোটিতে এক বিলিয়ন) ডলার অতিক্রম করেছে। বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতে রিজার্ভ ২ হাজার ২০ কোটি ডলারে ওঠে। গত সপ্তাহে রিজার্ভ ছিল ২ হাজার কোটি ডলারের নিচে। রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় রিজার্ভ বাড়ছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২৩ দশমিক ৬১ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে বেড়েছিল মাত্র ৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। পাশাপাশি রপ্তানি আয়ও বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় কমেছিল। বৈদেশিক অনুদান আসার প্রবণতাও বেড়েছে। ডলারের প্রবাহ বাড়ায় আমদানিও বাড়তে শুরু করেছে।
ব্যাংকগুলোয় ডলারের প্রবাহ বাড়ায় এখন ব্যাংক নিজেরাই আমদানির দেনা ও বকেয়া বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে পারছে। পাশাপাশি চলমান ঋণের কিস্তির অর্থও পরিশোধ করছে। ব্যাংকে ডলার থাকার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকার মান স্থিতিশীল রাখতে রিজার্ভ থেকে এখন কোনো ডলার বিক্রি করছে না। উলটো ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনে নিচ্ছে বকেয়া দায় পরিশোধ করছে।এর আগে জানুয়ারির শুরুর দিকে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) দেনা বাবদ ১৬৭ কোটি ডলার পরিশোধের পর রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছিল।
-
জাতীয়1 week agoফাইলের নিচে চাপা পড়ে পাঁচ বছর—ঝুঁকির ওপর দাঁড়িয়ে গাজীখালী ব্রীজ, হাজারো মানুষের জীবন আজ মৃত্যুফাঁদে!
-
আন্তর্জাতিক4 days agoকারাগারে ইমরান খানকে হত্যার খবর, দেখা করতে চেয়ে হামলার শিকার ৩ বোন
-
টপ স্টোরি5 days agoবিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার অভিযোগ
-
জাতীয়3 weeks agoকৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ডিআরইউ
-
জাতীয়3 weeks ago৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৬৬৮
-
জাতীয়3 weeks agoজাহানারার অভিযোগ নিয়ে যা বললেন ক্রীড়া উপদেষ্টা
-
আন্তর্জাতিক1 week agoট্রাম্প-মামদানির সাক্ষাৎ নিয়ে শশী থারুরের পোস্ট, ‘রহস্যময়’ বলছে বিজেপি
-
আন্তর্জাতিক3 weeks agoআবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া


