স্বাস্থ্য
মোটা হতে চাইলে যেসব খাবার খাবেন
আমাদের দেশে সঠিক মানের ও সুষম খাবারের অভাবে অনেক মানুষের স্বাস্থ্য খুব চিকন। চিকন স্বাস্থ্যের জন্য অনেকেই অনেক জায়গায় অবহেলা ও অবজ্ঞার শিকার হয়ে থাকে।
এই বঞ্চনা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই মোটা হতে বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়া অবলম্বন করে থাকেন। যেগুলো খেলে আপনার ইচ্ছানুযায়ী বাড়াতে পারবেন স্বাস্থ্য। কয়েকটি খাবার রয়েছে, যেগুলো খেলে ওজন সহজেই বাড়বে। স্বাস্থ্যকর উপায়ে ও সহজে মোটা হতে চাইলে খেতে পারেন এসব খাবার। চলুন,তাহলে জেনে নেওয়া যাক।
কিসমিস
মোটা হওয়ার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর খাবার হচ্ছে কিসমিস। কিসমিস আঙুর ফলের শুকনা রূপ। যা তৈরি হয় সূর্যের তাপ অথবা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সাহায্যে। কিসমিস সহজেই হজমযোগ্য। ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, জিংক, লৌহ, ফ্লোরাইড, পটাশিয়াম, ফোলাট, নিয়াসিন, কোলিন, ভিটামিন বি-৬ এবং রিবোফ্লাবিন জাতীয় পুষ্টিগুণ রয়েছে কিসমিসে। যা রাতে ১ গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেলে শরীরের শক্তি, ওজন বৃদ্ধি ও মোটা হওয়া নিশ্চিত।
খিচুড়ি
খিচুড়িতে বিদ্যমান কার্বোহাইড্রেড ও প্রোটিন মোটা হতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। খিচুড়ি তৈরির অন্যতম উপাদান ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-সি, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, খাদ্যআঁশ ও অ্যামাইনো এসিড। খিচুড়ি রান্নার সঙ্গে যদি বিভিন্ন ধরনের সবুজ শাক সবজি দেওয়া যায় তাহলে খাবারটি সুষম হয়। তাই খিচুড়ি একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন মোটা হওয়ার অন্যতম খাবার।
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে ভারতীয় প্রতিবেদন মিথ্যা এবং ভিত্তিহীনবাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে ভারতীয় প্রতিবেদন মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন
আলু
আলু আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন তরকারির সঙ্গে রান্না করে খাই। আলু সিদ্ধতে রয়েছে শর্করা, তন্ত্র, খনিজ লবণ, ভিটামিন ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় আলু থাকলে মোটা হওয়া অবশ্যম্ভাবী। প্রতিদিন দুটি করে আলু সিদ্ধ খেলেও মোটা হওয়া যায়। যা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন একটি খাবার।
ডিম
ডিম সহজিয়া একটি খাবার। ডিম সেদ্ধ, রান্না, ভাজিও খেতে পারেন। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, যা আপনাকে মোটা হতে সহযোগিতা করবে। এছাড়া ডিমের কুসুমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি। যা আপনাকে মোটা ও শক্তিশালী করে তুলবে।
দুধ ও মধু
দুধে রয়েছে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস, প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন-ডি, ভিটামিন বি-১২, নিয়াসিন ও রিবোফ্লাভিন। এগুলো শরীরকে মোটা বানাতে সাহায্য করে থাকে। নিয়মিত মধু খেলেও শরীর মোটা হতে পারে। কারণ মধুতে রয়েছে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ, মন্টোজ, অ্যামাইনো এসিড, খনিজ লবণ, এনকাইম, ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫ ও বি৬। এছাড়া রয়েছে আয়োডিন, জিংক, কপার ও ক্যালরি।
বাদাম
বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি, ফ্যাটি এসিড, ক্যালরি, ফাইবার, প্রোটিন ও ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ খাবার। যা খেলে শরীরের ওজন বাড়ানোর পাশাপাশি মোটা হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
ভাত ও ভাতের মাড়
সমাজ ও সংস্কৃতির কারণে ভাত আমাদের সবচেয়ে পরিচিত ও নিয়মিত খাবার। ভাতে প্রচুর কার্বো-হাইড্রেড রয়েছে। যা আমাদের মোটা হওয়ার জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে ভাতের চেয়ে ভাতের মাড় (অঞ্চলভেদে ভিন্ন নাম থাকতে পারে) মোটা হতে আরও বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।
পনির
পনিরে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ক্যালরি। যারা মোটা হওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের উচিত ফুলফ্যাট পনির খাওয়া।
শাকসবজি
শাকসবজি ও আঁশ জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে। তাই এটি নিয়মিত খেলে সুস্বাস্থ্য ও শক্তিবৃদ্ধি করাসহ মোটা হতে সাহায্য করে থাকে।
মাছ
মাছে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও উৎকৃষ্ট আমিষ। মাছে শতকরা ১৫-২৫ শতাংশ প্রোটিন। এছাড়া মাছে রয়েছে আমাইনো এসিড, ভিটামিন, খনিজ পদার্থ- ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, পটাশ, ভিটামিন ‘এ’ ও ‘বি’। যা মোটা হতে সাহায্য করে।
ফলমূল
নিয়মিত আপেল, নাশপাতি, আঙুর, কলা ইত্যাদি ফলমূল খেলে শরীরে শক্তি যেমন বাড়াবে, তেমনি মোটা হতেও সাহায্য করবে।
ডার্ক চকলেট
ডার্ক চকলেটে রয়েছে চর্বি, উচ্চ ক্যালরি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যারা ওজন বাড়ানো নিয়ে ভাবছেন, তারা ডার্ক চকলেট কেনার সময় ৭০ শতাংশ কোকো রয়েছে—এমন ডার্ক চকলেট কিনুন।
খেজুর
খেজুরে রয়েছে ক্যালরি, প্রোটিন, চর্বি, শর্করা, আঁশ, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এ ছাড়া খেজুর কপার, ম্যাংগানিজ, আয়রন ও ভিটামিন বি৬। শরীরে শক্তি জোগাতে ও সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে প্রতিদিন খেজুর খেতে পারেন।
স্বাস্থ্য
ধানমন্ডি ক্লিনিকে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
রাজধানীর গ্রীন রোডে অবস্থিত ধানমন্ডি ক্লিনিকে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ মহরম,পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে রোববার (৬ জুলাই) ধানমন্ডি ক্লিনিক (প্রা.) লি. এবং মেডিহেল্প ফার্টিলিটি সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
সকালে ধানমন্ডি ক্লিনিকে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ধানমন্ডি ক্লিনিক (প্রা.) লি. এর চেয়ারম্যান মো লুৎফুল আজম (রানা)।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তার চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এসময় রোগীদের বিনামূল্যে বিভিন্ন পরীক্ষার পাশাপাশি স্বল্পমূল্যে বিভিন্ন প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয়। অনুষ্ঠানে কয়েকশ মানুষ ব্ল্যাড গ্রুপিংয়ের সুবিধাসহ রোগী চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন।

ধানমন্ডি ক্লিনিক (প্রা.) লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. লুৎফুল আজম (রানা) বলেন, আমারা সমাজের জন্য কিছু করতে চাই। এলাকার মানুষের জন্য আমাদের দায় আছে। যার যার অবস্থান অনুযায়ী এ সমাজের জন্য, এ দেশের জন্য আমাদের কিছু করা উচিৎ। আমরা সবার জন্য গুণগত মানসম্পন্ন চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছি।
বন্ধ্যাত্ব ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. হাসনা হোসেন আখী বলেন, যেসব রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এই পরামর্শ জরুরি ও প্রয়োজনীয় আমরা সেই ধরনের রোগ নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি উন্নত মানের সেবা প্রদানে সব সময় অঙ্গীকারবদ্ধ।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ধানমন্ডি ক্লিনিক (প্রা.) লি. এর চেয়ারম্যান রুমানা পারভীন, পরিচালক এসএম সোলাইমান, সিইও ফকরুল ইাসলাম হামীম, এইচআর প্রধান রেজওয়ানা শেখ শান্তা, মেডিহেল্প ফার্টিলিটি সেন্টারের সিইও মো. আবদুল্লাহ আহমেদ প্রমূখ।
স্বাস্থ্য
ওজন কমাবে এই ফলগুলো
অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য নানা চেষ্টা করে থাকেন মানুষ। অনেকেই আছেন, নিজের ওজন কমানোর জন্য লাখ টাকা খরচ করেও তেমন উপকার পাচ্ছেন না। তবে প্রোটিনে ভরপুর কিছু ফল খাদ্যতালিকায় রেখে ওজন কমানো যেতে পারে।
প্রোটিন এমন একটি অপরিহার্য ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট, যা দীর্ঘ সময় মানুষের পেট ভরিয়ে রাখতে পারে। এতে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার চাহিদা কমে এবং ওজন কমে। মানবদেহের গঠন উপাদান হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে প্রোটিন।
ওজন কমানোর পাশাপাশি প্রোটিন পেশীর ভর বৃদ্ধি করে, হাড় শক্তিশালি করে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ডিম, মুরগির মাংস, মাছ, বাদাম, ছানা, মসুর ডাল, কুইনোয়া এবং দুগ্ধজাত পণ্য প্রোটিনের ভালো উৎস।
প্রোটিন ডায়েট করে যারা ওজন কমাতে চান, তারা খাদ্যতালিকায় নিচের ফলগুলো রাখতে পারেন –
কলা
কলা অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল এবং পটাশিয়ামের একটি দারুণ উৎস। সহজলভ্য এ ফল খাদ্যতালিকায় রাখলে প্রোটিন, ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন সি, ফাইবার, ফোলেট এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ একসঙ্গে পাওয়া যায়।
বেদানা
বেদানা অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একটি ফল। এ ফলে ক্যালোরির পরিমাণ বেশ কম। এ ছাড়াও এতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ। বেদানা প্রোটিনেরও একটি ভালো উৎস।
পেয়ারা
ভিটামিন সি’র একটি চমৎকার উৎস হচ্ছে পেয়ারা। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ যেসব ফল রয়েছে তার মধ্যে পেয়ারা অন্যতম। এক টুকরো পেয়ারায় প্রায় ১.৪ গ্রাম প্রোটিন থাকে।
কিউই
প্রোটিনের অন্যতম উৎস হচ্ছে কিউই। এ ফলটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হজমশক্তি উন্নত করতে, ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
কাঁঠাল
প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন এ, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়ামের অন্যতম একটি উৎস হচ্ছে কাঁঠাল। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কাঠালের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যাপ্রিকট
যারা মিস্টি খেতে ভালোবাসেন তারা খাদ্যতালিকায় অ্যাপ্রিকট বা খোবানি রাখতে পারেন। সুস্বাদু মিস্টি স্বাদের শুকনো খোবানি দিয়ে সকালের নাস্তা করতে পারেন। এতে পেট ভরবে, আবার মিষ্টির লোভও মিটবে।
স্বাস্থ্য
যুক্তরাষ্ট্রে আসক্তিহীন নতুন ধরনের ব্যথানাশকের অনুমোদন
নতুন ধরনের ব্যথানাশকের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি জানিয়েছে, নতুন এ ওষুধটি আসক্তিমূলক (নন-ওপিওয়েড) নয়। প্রাপ্তবয়স্ক রোগীদের জন্য স্বল্পমেয়াদি ব্যথার চিকিৎসায় এ ওষুধের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন করা নতুন ওষুধের ব্র্যান্ড নাম জারনাভ্যাক্স। এটি মানুষের শরীরের ব্যথার সংকেত মস্কিষ্কে পৌঁছানোর আগেই কাজ শুরু করে।
জারনাভ্যাক্সের প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ভারটেক্স ফার্মাসিউটিক্যালস। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এটিতে আসক্তি সৃষ্টিকারী উপাদান ওপিওয়েড নেই। এটি মাঝারি থেকে শুরু করে গুরুতর ব্যথার উপশম করতে কার্যকর।
যুক্তরাষ্ট্র বছরের পর বছর ধরে ব্যথানাশক রোগের জন্য আসক্তিজনিত সমস্যায় হিমশিম খাচ্ছে। ২০১৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটিকে জাতীয় লজ্জা বলে উল্লেখ করেন। এমনকি এজন্য জনস্বাস্থ্যজনিত জরুরি অবস্থারও ঘোষণা দেন।
মানুষের শরীরে নতুন ব্যথানাশকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর ফলাফলের ভিত্তিতে এফডিএ জানিয়েছে, জারনাভ্যাক্স অস্ত্রোপচারের পর ব্যথা কমানোর ক্ষেত্রে কার্যকর। এটিকে জনস্বাস্থ্য খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানিয়েছে, প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ আসক্তি উদ্রেগকারী ওপিওয়েড ব্যবহারের কারণে মারা যান। ২০২২ সালে মাত্রাতিরিক্তি ওপিয়েডের কারণে ৮২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
কোম্পানি জানিয়েছে, ব্যথানাশক নতুন এ ওষুধের প্রতিটি ক্যাপসুলের দাম সাড়ে ১৫ ডলার। তবে এ ওষুধ শিশুদের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর কিনা তা এখনো জানা যায়নি।
-
জাতীয়1 week agoফাইলের নিচে চাপা পড়ে পাঁচ বছর—ঝুঁকির ওপর দাঁড়িয়ে গাজীখালী ব্রীজ, হাজারো মানুষের জীবন আজ মৃত্যুফাঁদে!
-
আন্তর্জাতিক4 days agoকারাগারে ইমরান খানকে হত্যার খবর, দেখা করতে চেয়ে হামলার শিকার ৩ বোন
-
টপ স্টোরি5 days agoবিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার অভিযোগ
-
জাতীয়3 weeks agoকৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ডিআরইউ
-
জাতীয়3 weeks ago৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৬৬৮
-
জাতীয়3 weeks agoজাহানারার অভিযোগ নিয়ে যা বললেন ক্রীড়া উপদেষ্টা
-
আন্তর্জাতিক1 week agoট্রাম্প-মামদানির সাক্ষাৎ নিয়ে শশী থারুরের পোস্ট, ‘রহস্যময়’ বলছে বিজেপি
-
আন্তর্জাতিক3 weeks agoআবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া


